জি.এম রাব্বানি নয়ন এর নির্বাচনী ইশতেহার সমূহ

    পৗরসভার বাজেট বৃদ্ধি করা।
    পৌরসভার ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন (তথা রাস্তাঘাট, লাইটপোস্ট, ১০০ ভাগ স্যানিটেশন/স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, সেতু ও কালভার্ট, হাট-বাজার পাকাকরন প্রভৃতি নির্মান ও সংস্কার)।
    পৌরসভার নিয়মতান্ত্রিক প্রশাসন গঠন।
    পৌরসভায় দারিদ্র বিমোচনে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন।
    বেকারত্ব দূরিকরণে প্রয়োজনীয় বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহন।
    প্রতি মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে যুব মহিলাদেও জন্য ভ্রাম্যমান কর্মমুখী প্রশিক্ষনের আয়োজন এবং প্রশিক্ষন শেষে বেকারত্ব দূরিকরন ও উদ্দ্যোক্তা সৃস্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋনের ব্যবস্থা করন।
    পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিভিন্ন প্রকার উৎপাদনমূখী শিল্প স্থাপনের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের আহবান ও বেকারত্ব দূর করা।
    ডশক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন (যেমন:- বর্তমান স্কুলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, কম্পিউটার প্রদান, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ব্যবস্থা, স্কুল কলেজ গুলোতে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও পাঠাগার উন্নয়ন, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজকে গ্রাজুয়েট ও পোষ্ট-গ্রাজুয়েট কলেজে রুপান্তর।
     প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১টি করে কমিনিউটি সেন্টার/মিটিং হল স্থাপন।
    প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১টি করে ক্রীড়া সংঘ স্থাপন, ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান,খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা ও নিয়মিত টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করা।
    এনজিও গুলোর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে পৃষ্টপোষকতা করা।
     মসজিদ ও মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়ন।
     সম্মানিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন বৃদ্ধি।
     প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১টি করে ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক স্থাপন।
     থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়ন (শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন ইত্যাদি)।
     জন নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা গ্রহন ও বাস্তবায়ন (দিনে কমিনিউটি পুলিশ ও রাতে নৈশ্য প্রহরি)।
    বন্যা প্রতিরোধে খাল/নদী ড্রেজিং/খননের ব্যবস্থাকরন।
    মজা পুকুর গুলোকে ব্যবহার উপযোগি করে গড়ে তোলা ও প্রত্যেক ওয়ার্ডে একটি মৎস্য খামার স্থাপন।
    গণ শৌচাগার ও পাবলিক টয়লেট স্থাপন।
    ব্যায়ামগার/হেলথ্ ক্লাব স্থাপন।
    আর্সেনিক প্রজেক্ট এর আধুনিকায়ন ও জোরদার।
    এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন।
    ভ’মিহীনদের গৃহনির্মাণ/পূর্নবাসনের ব্যবস্থাকরন।
    মাদক ব্যবসা ও মাদকদ্রব্যেও ব্যবহার নির্মূল ও মাদকাসক্তদের পূনর্বাসনে ব্যবস্থা প্রহন।
    যুব ক্লাব স্থাপন ও যুবসমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জোরদার।
    চাষের উপযোগি জমি বৈঞ্জানিক উপায়ে চাষাবাদের ব্যবস্থা করা।
    পৌরসভার কৃষকদের আধুনিক এবং বৈঞ্জানিক উপায়ে চাষাবাদের উপর প্রশিক্ষন প্রদান।
    শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য পার্ক স্থাপন।
    বৃক্ষরোপন কর্মসূচি জোরদার (প্রতিটি রাস্তার উভয়পাশে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা রোপন)।
    গোরস্থান ও শ্মশান এর আধুনিকায়ন।
    চাদাঁবাজ ও সন্ত্রাস নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
    জাতীয় গুরুত্বপুর্ন অনুষ্টানসমূহ পালন ও উদযাপন।
    পয়নিস্কাশন ও পয়প্রণালী  ব্যবস্থার স্থাপন ও আধুনিকায়ন।
    জম্ম, মৃত্যু ও বিবাহ নিবন্ধন ব্যবস্থা জোরদার করা।
    মশক নিধন ব্যবস্থা প্রহন ও জোরদার করা।
    পৌরবাসী ও পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্টা।
    পৌরসভার সদর কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি কার্যকর নেটওর্য়াক গড়ে তোলা।
    পৌরসভার মধ্যে সম্ভবপর স্থানে অনলাইন/কম্পিউটারাইজড সেবা প্রদান।
    পৌর প্রশাসনের সকল কর্মকান্ডের সচ্ছতা নিশ্চিত করা।
    কর্ম সম্পাদনে কর্তৃত্ব রয়েছে এমন সকল নির্বাচিত বা নিযুক্ত কর্মকর্তার নাগরিকদের কাছে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করা।
    কর্ম সম্পাদন অথবা নির্বাহী  কর্তৃত্বের অধিকারি সকল কর্মকর্তা সময়মত ও ন্যায় সঙ্গত ভাবে তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেছেন- এটি নিশ্চিত করার মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে পৌর প্রশাসনের উপর আস্থা সৃষিট করা।
    ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, বিলম্বিত ও ভুল সিদ্ধান্তের উৎস নির্মূল করে, সব ধরনের দুর্নীতি ও অবহেলার বিরুদ্ধে সুদৃড় অবস্থান গ্রহন করা।
    ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরনের জন্য উদ্যেগ নেওয়া যেমন:- প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্বাচিত কমিশনারকে কর নিরুপন ও কর প্রদান, উন্নয়নমূলক কাজ, প্রাথমিক শিক্ষা, মহল্লা বা লোকালয়ে শান্তি প্রতিষ্টা, আর্বজনা ও ময়লা সংগ্রহ এবং সাংস্কৃতিক তৎতপরতা সহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তোলা।
    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে উপযুক্ত পরিবেশের ব্যবস্থা করে, ব্যবসা-বানিজ্যের পরিবেশ উন্নয়নের জন্যসকল অর্থকারি প্রতিষ্টানের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া।
    সকল প্রকার সেবামূলক কাজের দক্ষতার উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেসরকারি সংস্থাকে জড়িত করার উদ্যেগ নেওয়া।
    সম্পদের প্রাপ্যতা ও লভ্যতার ভিত্তিতে ব্যয় অগ্রাধিকার ভিত্তিক খাতগুলো নির্ধারন করা এবং প্রাপ্য সম্পদের ওয়ার্ড ভিত্তিক ব্যয় ন্যায়ানুপাতিক হারে নির্ধারন করা।
    পৌরসভার কাজ ও দায়িতের¡ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যয় পরীক্ষা, যাচাই ও হিসাব নিরীক্ষনের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি হিসাব নিরীক্ষকের ব্যবস্থা করা।
    বিধি সম্মতভাবে অভিযোগ দায়ের করতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রতিটি অভিযোগের ব্যপারে যথা সময়ে ও সঠিকভাবে মনোযোগ দেওয়া ও প্রতিকার নিশ্চিত করা।
    সকল নতুন নিয়ম ও পদন্নোতি বিবেচনার জন্য জনগনের কাছে দায়বদ্ধ একটি কমিটি গঠন করা (এই কমিটিতে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে মনোনীত সদস্য থাকতে হবে)।
    সেবাদান কার্যক্রমের সাথে জড়িত কর্মচারিদের উৎকর্ষ-সম্পন্ন সেবা দানের সমার্থ বৃদ্ধিও লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী  ভিত্তিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষন নিশ্চিত করা।
    পৌর প্রশাসন ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি কর্মবিভাগে কম্পিউটারের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
    কর ও ফি আদায় ব্যবস্থাকে সামনঞ্জস্য পূর্ণ করা এবং কম্পিউটারে তার রেকর্ড এবং এই সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা।

সর্বোপরি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ মডেল পৌরসভায় করা আমার সপ্ন, যার বাস্তবায়ন সম্ভব কেবল আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে।

 

চৌদ্দগ্রামের ঘরে ঘরে ধানের শীষের জোঁয়ার বইছে

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ড.গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙ্গালী নির্বাচর্নী মাঠে প্রচারণা চালাতে না পারলেও চৌদ্দগ্রামের ঘরে ঘরে ধানের শীষের জোয়ার বইছে দাবী নয়ন বাঙ্গালী ও বিএনপি সমর্থিতদের। চৌদ্দগ্রামের ০৯টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন তার মা ঢাকা পল্লবীর জনপ্রিয় কাউন্সিলর ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম মেহেরুন্নেছা হক। সাধারণ ভোটারদের দাবি নয়ন বাঙ্গারীর মত একজন কেন্দ্রীয় যুবনেতা আমাদের অহংকার। তিনি মেয়র হলে এই চৌদ্দগ্রামে উন্নয়নে জোঁয়ারে ভাসবে। তাই আমরা দলমত নির্বিশেষে নয়ন বাঙ্গালীকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই দাবি জানিয়েছেন ০৬নং ওয়ার্ডের চাঁটিতলা গ্রামে ৯০বছরের বৃদ্ধা আক্কাছ আলী।

জানা যাক কে এই নয়ন বাঙ্গালী:
নয়ন বাঙ্গালী আপাদমস্তক একজন রাজনৈতিক মানুষ। তার ধন্যান, জ্ঞান সবকিছু রাজনীতিকে ঘিরে। সে ফালগুনকরার এক মুসলীম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার জন্ম ১৯৭২সালের ৭ ই এপ্রিল যদিও সার্টিফিকেটে সেটি ৩ রা ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩ করে দেয় স্কুল শিক্ষকেরা। একসময় আমাদের দেশে এটাই নিয়ম ছিলো এবং তার পিতা মরহুম একরামুল হক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র ছিল এবং সেখান থেকে ডবল এম.এ পাশ করে সরকারী চাকুরি জীবন শুরু করেন। দাদা আব্দুর রহমান যিনি গ্রামে মৌলভী হাড়ীধন নামে পরিচিত এবং পুরো ফালগুনকরা এতো গুনী মানুষের ভীড়ে তার ১১ সন্তানকে আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। আজ পর্যন্ত এই পরিবারের প্রায় ১৫০ বছরের ইতিহাস এই চৌদ্দগ্রামে একজন সন্তান কিংবা নাতী নাতনীর নামে বিন্দুমাত্র কোনো অভিযোগ কারো নাই। নয়ন বাঙ্গালীর মা ও একজন মহিয়ষী নারী ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশান শেষ করে শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন, তারপর সমাজ সেবা ও সর্বপোরী রাজনীতি। তার নাম বেগম মেহেরুন্নেছা হক তিনি বি.এন.পি এর জাতীয় নিবার্হী কমিটিতে সারা বাংলাদেশের ২০ জন মহিলা নেত্রীর মধ্যে ১ জন এবং পল্লবী এলাকায় বার বার নির্বাচিত কমিশনার বিপুল জনপ্রিয়তা ও ভালোবাসার কারনে এই দুঃসময়ে তাকে কোনো ভাবেই হারাতে পারেনি। সাদামাটা ধার্মিক ও আদর্শ মা হিসেবে সবার কাছে জনপ্রিয় এবং  একজন রতœগর্ভা এই নারী অনেক গুনের অধিকার। এমন একটি সৎ পরিবার যে নয়ন বাঙ্গালী পিতার প্রথম জবীনে কাষ্টমস অফিসারের চাকুরী পেলে শুধু ঘুষ খেতে হবে এই পাপ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ১ মাসের মধ্যে চাকুরী ছেড়ে দেন এবং পরিকল্পনা মন্ত্রালয়ে উপ-সচিব হিসেবে চাকুরিরত অবস্থায় মাত্র ৫৪ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তার এক চাচা আব্দুল খালেক ও পরিল্পনা মন্ত্রালয়ের পরিকল্পনা একাডেমীর পরিচালক ছিলেন। নয়ন বাঙ্গালীর নানার বাড়ী ও চৌদ্দগ্রামের গুনবতী গ্রামে এবং তিনিও সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন। ও অত্র এলাকার আলী আকবর যথেষ্ট সম্ভ্রান্ধ ও আদর্শ মানুষ। তার নানার সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের ভাইস চ্যাসেলার আঃ হালিম চৌধুরী তাদের পরিবারের একটি অংশ ছিলেন। বড় মামা আব্দুল অওদুদ দুলাল চৌদ্দগ্রামে একজন আদর্শ মানুষ দল মত নির্বিশেষে সবার গ্রহন যোগ্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। বর্তমানে তিনি চৌদ্দগ্রাম কমিউনিটি পুলিশের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ও তার পরিবার গুনবতী কলেজের প্রতষ্ঠাতা। নয়ন বাঙ্গালী ১৯৮৬ সালে ১ম বিভাগে এস.এস.সি পাশ করেন এবং কলেজে ভর্তি হয়েই রাজনীতিতে শুরু করেন ৯০ এর স্বেরাচারী বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন মাঠে ঢাকাতে যেমনী স্বেরাচারী বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন ঠিক তেমনী চৌদ্দগ্রামেও ৯০ এর গন আন্দোলনে রাজপথে অনেক মিছিল করেছেন- যা তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি জি.এম মীর হোসেন মীরু ও সাধারন সম্পাদক ভ.ম. আফতাব সাক্ষী দিয়েছেন এভং ভিপি মাহাবুব, মেয়র মিজান সবাই জানতো যে একজন সুবক্তা ও মিছিলের প্রান নয়ন বাঙ্গালী ৯০ এর আন্দোলনে মাঠ পর্যায়ে প্রথম কাতারের নেতা। এবং তার সহযোদ্ধা হিসেবে মিজান, টিপু, মাহাবুব কাজ করেছেন অনেক দিন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে বি.সি.এস পরীক্ষায় কৃতকার্য্য হয়েছেন কিন্তু রাজরীতির কারনে তিনি চাকুরী না করে রাজপথ বেছে নিয়েছেন। আজ হয়তো চাকুরী করলে আমলা হতেন কিন্তু এখনও সে মাঠের একজন কর্মী পেশাগত জীবনে অনেক ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে যেমন সৌদি আরাবিয়ান এয়ার লাইন্স, বিশ্ব ব্যাংক এমন কি আহমেদ ফুড প্রোডাক্টস এর নিবার্হী পরিচালক পর্যন্ত দায়িত্ব পেয়ে শুধু রাজনীতির কারনে সব ছেড়ে দিয়েছেন। বর্নাঢ্য এই রাজনৈতিক নেতার জীবনের পুরোটাই সংগ্রামের প্রায় ১৬ বার গ্রেফতার হয়েছেন জীবনে এবং সব সময়ে নেপথে নেতৃত্ব দেয়ার গুনাগুন ছিলো তার- বর্তমান তিনি একজন সৃপ্রীম কোটের আইনজীবী এবং এই পেশায় আজ দশ বছর সেই সুবাদে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা সুপ্রীম কোটের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবং তার নিজস্ব চেম্বার এ্যানেকস ভবনের ২০৬ এখন রাজনীতির একটি বড় কক্ষ। নিরসহংকারী ও সদালাপী এই মানুষটি ব্যাক্তি জীবনে কখনো কোন দলাদলি বা গ্রুপিং রাজনীতির বিপক্ষে কেন্দ্র থেকে তৃনমূল কোথাও সে কখনো কোনো গ্রুপিং বা দলবাজি করে ব্যাক্তিগত সুবিধা নেন না। সম্পূর্ন ভাবে নিজস্ব স্বকিয়তা ও ব্যাক্তিত্ত্ব দিয়ে রাজনীতি করেন তাই তো কুমিল্লা জেলা বি.এন.পি তাকে সম্পাদক মন্ডলী একজন সম্মান জনক সিনিয়র সম্পাদকীয় পদ দিয়েছেন। যেখানে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বি.এন.পি এর নেতারা সবাই সাধারন সদস্য সে কখনো ইয়াছিন গ্রুপ বা সাক্কু গ্রুপ এভাবে নিজের অবস্থান তৈরী করেন নি। নয়ন বাঙ্গালী বিগত সরকারের সময় অনেক দায়িত্বশীল পর্যায়ে ছিলেন। তাকে সরকার শ্রেষ্ঠ যুব পদক দিয়েছেন। যুব সংগঠক হিসাবে এবং সরকারীভাবে প্রধানমন্ত্রীর যুব কল্যান তহবিলের বোর্ডের পরিচালক মনোনয়ন দিয়েছে। সারা বাংলাদেশে সে যুবকদের নিয়ে কাজ করেছেন্ রাজনৈতিক ভাবেও তাকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৃনমৃল থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেন। সে এমন একজন নেতা যে হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় নেতা হন নাই। অনেক তৃনমৃলের রাজনীতি করার যোগ্যতা, শ্লোগান দেয়ার ক্ষমতা, অনলবর্তী বক্তা, মেধাদীত্ত সুশিক্ষিত ব্যাক্তিত্¦ হওয়ার কারনেই সম্ভব হয়েছে। শুধু দেশেই না বিদেশেও তার রাজনৈতিক অব¯’ান যেমন কমনওয়েলথ ইউথ এ্যাম্বাস্যাডর ও ওয়াল্ড ব্যাংক ইউথ কনসালটেটিভ গ্রুপ সহ বিভিন্ন আন্তজার্তিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এবং তার হাতে গড়া ণড়ঁঃয ঋড়ৎঁস এখন বাংলাদেশের ১নং যুব সংগঠন হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে সরকারের স্বৈর শাষনের বিরুদ্ধে তার সংগ্রামের বিবরন সবাই হয়তো জানে না কিংবা সেত্ত নিজে থেকে সবাইকে জানাননি তবে যতদুর জানা যায় নির্যাতিত মানুষের কাতারে সে একজন। ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর পুলিশ এই মানুষটির জীবনের আলো চিরতরে নিভিয়ে দিতে চেয়েছিলো প্রায় ১ ঘন্টা প্রকাশ্যে রাস্তার মধ্যে ফেলে অমান বিকভাবে নির্যাতন করে তার বাম হাত চার টুকরা করে ফেলে এবং প্রায় ৬ মাস হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছে তার হাতে লোহার পতি লাগানো এবং মাথায় মারাত্বক আঘাত করে নয়ন বাঙ্গালীর ঢাকার বাড়ীতে যৌথ বাহিনী প্রায় ৮/১০ বার হামলা করে তছনছ করে এবং গোটা পরিবারকে প্রায় ১ বছর এলাকায় ঢুকতে দেয় নাই। এখনো সে ১৩টি মামলার গ্রেফতার পরোয়ানা নিয়ে পলাতক ও ৪টি মামলার জামিনে আছে। তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন সে গ্রাম উন্নয়নে কাজ করতে এবং এই কারনেই ১৪/১৫ বছর আগে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখে ও নির্বাচন ও করে কিছু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে তাকে আজ পর্যন্ত সরকার সুযোগ দিচ্ছে না। নয়ন বাঙ্গালী চৌদ্দগ্রামের রাজনীতি একদম ওয়ার্ড থেকে শুরু করেন প্রথমে ওয়ার্ডের সদস্য তারপর পৌর বি.এন.পি এর যুগ্ন আহবায়ক ও সর্বশেষ পৌরসভা বি.এন.পি এর সভাপতি। তারপর জেলার তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও আগামী দিনে জেলায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাবেন বলে জানা যায়। তিনি মূলত নিজেকে একজন সমাজ কর্মী হিসেবে দাবী করেন এবং এই সমাজ কর্মে তার ব্যাপক পড়াশুনা তিনি দেশের সমাজকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে বিশ্বের উন্নত দেশের মত আগামী ৫০ বছরের মধ্যে ঝড়পরধষ ডবষভধৎব ঝঃধঃব করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তাই তো আইনের বিষয়ে পড়াশুনা করা স্বত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ কর্মে মাষ্টাস করেন ও সেখানে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিশ্ববিদ্যালয় ২৪ বছরের সফল রেকর্ড ভঙ্গ করেন। তিনি মনে করেন দেশকে বা দেশের মানুষকে সেবা দিতে হলে কিছু প্রতিষ্ঠানিক যোগ্যতাও দরকার এবং তিনি এই সমাজ সেবায় অবদানের জন্য অনেক জাতীয় ও আন্তজার্তিক মানের পদক পান রাষ্ট্রপতি পদক, ড. ইউনুছ পদক সহ গুরুত্বপূন পদক নয়ন বাঙ্গালী মেয়র নির্বাচিত হলে একটি ব্যাতিক্রমী ছোট্ট শহর উপহার দিতে পারবে কেননা বেশী দলাদলি বা পরচর্চা কাদা ছোড়াছোড়ি করেন না বলে অত্র এলাকার সাংসদ তথা রেলমন্ত্রীও তার বিষয়ে কোনো নেতিবাচক ধারনা রাখন না। এমনকি সে গত বারের নির্বাচনে এতো বড় ষড়যন্ত্রের স্বীকার হওয়া স্বত্বেও কখনো মেয়রের বিরুদ্ধে বা আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ব্যাক্তিগত দ্বন্ধে ঝড়েন নাই। যদি জাতীয় ইস্যুতে তিনি আপোষহীন ও যথেষ্ট ত্যাগী নেতা।

 

Poster_New

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।