সেবিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ডাক্তার আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ● তিতাস উপজেলার সদরে এশিয়া জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত এক সেবিকাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে এক ডাক্তারকে আটক করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।

সেবিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত পিন্টু চন্দ্র বর্মণ (৩৫)কে তিতাসের কড়িকান্দি বাজার থেকে গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটক করে দাউদকান্দি মডেল থানায় হস্তান্তর করে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করায় পিন্টুকে শুক্রবার কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

পিন্টু চন্দ্র বর্মণ তিতাস উপজেলার এশিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রা. লি. কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার যোয়াগ গ্রামে।

এ ব্যাপারে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

ওই সেবিকা জানান, একসঙ্গে কাজ করায় তার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে নতুন বাসা করে আমাকে বাসায় তুলে মুসলমান হয়ে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তার কথায় সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে বাসায় ওঠি। বাসায় ওঠার পর এক বছর ধরে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালায়। বিয়ের জন্য বারবার বলার পরও আজ না কাল বলে আশ্বাস দেয়। বেশি কিছু বলতে চাইলে আমাকে চেতনানাশক ইনজাকশন পুশ করে বাসার একটি কক্ষে তালা দিয়ে রাখে। আমি বুধবার পাশের বাসার লোকদের সহযোগিতায় পালিয়ে থানায় গিয়ে মামলা করেছি। আমার জীবনকে সর্বনাশ করেছে যে প্রতারক পিন্টু- তার উপযুক্ত বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান জানান, সেবিকা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করা হলে বৃহস্পতিবার পিন্টু চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করা হয়।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পিন্টু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। শুক্রবার আটককৃত পিন্টুকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। সেবিকা মেডিকেল চেকাপের জন্য কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।