মুরাদনগরে ৯দিন আটকে রেখে কিশোরীকে ধর্ষণ

মুরাদনগর প্রতিনিধি ● মুরাদনগর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৯দিন আটকে রেখে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরে এ ঘটনা ঘটেছে।

রোববার দুপুরে এলাকাবাসী ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ধর্ষক সুমনকে (২২) পুলিশে সোপর্দ করেছে। ভিকটিম হাটাশ গ্রামের মফিজ উদ্দিনের মেয়ে এবং ধর্ষক সুমন বাঙ্গরা গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার বাঙ্গরা থানার হাটাশ গ্রামে ওই কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে পাশ্ববর্তী বাঙ্গরা গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে সুমন মিয়া।

গত ৪ আগস্ট প্রতারক সুমন তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ওই কিশোরীকে বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাঙ্গরা এলাকার একটি বাড়ীতে ৯ দিন আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করে।

রোববার দুপুরে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধারসহ ধর্ষক সুমন মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে বিকেলে ওই কিশোরী বাদী হয়ে ধর্ষক সুমনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা থানার ওসি মনোয়ার হোসেন কুমিল্লার বার্তা ডটকমকে জানান, ধর্ষিতার জবানবন্দি অনুযায়ী মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।  সোমবার  সকালে অভিযুক্ত সুমনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।