মনোহরগঞ্জে বাতেন হত্যা মামলার আসামীরা ঘুরছে প্রকাশ্যে!

নিজস্ব প্রতিবেদক ● মনোহরগঞ্জে যুবলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে আবদুল বাতেন হত্যার ঘটনার ১০ দিন পার হলেও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উল্টো মামলার বাদীসহ তার পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার হত্যা মামলার বাদী নার্গিস আক্তার এ অভিযোগ করেন।

নার্গিস আক্তার বলেন, যুবলীগ নেতা সহিদুল ইসলাম সহিদ আমার বাবাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যা করার পর পরই আসামিরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেলেও বর্তমানে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরছে। আসামি পক্ষের লোকেরা আমাদের বাড়িতে এসে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আসামিদের সঙ্গে আঁতাত করে পুলিশ মামলা তদন্তের নামে আমাকে এবং আমার পরিবারকে বারবার হয়রানি করছে। অথচ আসামিদের বাড়িতে একবারের জন্যও পুলিশ অভিযান চালায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ০১ এপ্রিল সকালে উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের বাকরা গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে মো. আবদুল বাতেনকে মুঠোফোনের মাধ্যমে তার ঘর থেকে বাড়ির সামনের রাস্তায় ডেকে আনে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সহিদুল ইসলাম সহিদ।

এ সময় কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই প্রকাশ্যে ওই কৃষকের পেটে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে সহিদ।

হত্যার পরদিন নিহতের মেয়ে নার্গিস আক্তার বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আসামিরা হল উপজেলা যুবলীগ নেতা সহিদুল ইসলাম সহিদ, তার বড় ভাই জাকির হোসেন, বাদীর শাশুড়ি নুরজাহান বেগম, দেবর সফিকুল ইসলাম ও নুর আলম। এরমধ্যে দ্বিতীয় আসামী জাকির হোসেন মামলার পর পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বাহিরে পালিয়ে গেছে।

মনোহরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাবুল করিম মামলার বাদিনীকে হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এ হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সহসাই আসামিদের আটক করা হবে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।