বুড়িচংয়ে খায়ের হত্যা মামলার আসামী ঢাকায় গ্রেফতার

সৌরভ মাহমুদ হারুন ● বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের আবুল খায়ের হত্যা মামলার ৬নং আসামীকে ৩মাস পর বুড়িচং থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার মিরপুরের কাজী পাড়া এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে সুন্দর আলীকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার বিকেলে আটককৃতদেরকে পুলিশ কুমিল্লা কোর্টের মাধ্যমে জেলা হাজতে প্রেরণ করে।

পুলিশ ও মামলার বিবরনে জানা যায়, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামের সুন্দর আলীর পরিবারের সঙ্গে সুলতান আহম্মেদ এর দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে গত ৪ ফেব্রুয়ারী সুলতান আহম্মেদের ছেলে আবুল খায়ের (৩২) স্থানীয় কালিকাপুর বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ করে বাড়ি যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষ সুন্দর আলীর (৭০) এর নেতৃত্বে তার ছেলে এবং আত্মীয় স্বজন ১০-১২জনের সশস্ত্র এক দল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় আধাঁরের মধ্যে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এসময় আবুল খায়ের এর আত্মচিৎকার শুনে তার ভাই ও পিতা মাতা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর চড়াও হয়ে হামলা চালিয়ে ৮জনকে আহত করে। এর মধ্যে সুলতান আহম্মেদের ছেলে আবুল খায়ের  (৩২), রুবেল (২৭), রোকেয়া বেগম (৪৮), বিউটি বেগম (২৫), ফাতেমা (২২), সুমন মারাত্মকভাবে আহত হলে স্থানীয় লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করে। এর মধ্যে আবুল খায়ের ও রুবেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ৮দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল খায়ের মারা যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুড়িচং থানায় গত ৫ ফেব্রুয়ারী আবুল খায়ের এর পিতা সুলতান আহম্মদ বাদী হয়ে নামীয় ১০জন এবং অজ্ঞাত ৬-৭জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং -৭। দীর্ঘ ৩মাস পর বুড়িচং থানার ওসি তদন্ত আজম উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে এস আই আনিছুজ্জামান সহ গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী ঢাকার মীরপুরের কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুন্দর আলীর মেয়ে জেসমিন আক্তারের বাসা থেকে  ৬নং আসামী সুন্দর আলীকে গ্রেফতার করে বুড়িচং থানায় নিয়ে আসে।

গত শুক্রবার বিকেলে আটককৃত সুন্দর আলীকে বুড়িচং থানা পুলিশ কুমিল্লা কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।