বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ; ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি ● বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরী (১৮) কে ধর্ষণ করেছেন এক লম্পট। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষক আলামিনকে বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম কুলশি থানার ঝাউতলা এলাকা থেকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটটেছে জেলার মনোহরগঞ্জে উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের কিছমত গ্রামে। গ্রেফতার হওয়া আল-আমিন (৩২) উপজেলা সরসপুর ইউনিয়নের কিছমত গ্রামের আব্দুল হক ওরফে আবু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা কুমিল্লা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুরের কিছমত গ্রামে আল আমিনের সাথে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আল আমিন বিভিন্ন স্থানে নিয়ে অবৈধ মেলামেশায় জড়িয়ে পড়ে। এতে করে কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লে তার পরিবারের লোকজন অনুভব করে। পরে এ ঘটনাটি জানাজানি হলে লম্পক আল আমিন চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিকভাবে সালিশী বৈঠক বসলেও এর কোন সুরাহা না হওয়ায় কিশোরীর পিতা এ মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষন করে লম্পট আল-আমিন।

ধর্ষনের ফলে এ মেয়ে সাড়ে সাত মাসে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরে মেয়ের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে নারি ও শিশু দমন আইনে ২০০০ এর ৯/১/৩০ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করে। মামলা নং ০৮। মামলাটি মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মাহবুব আলমের নেতৃত্বে এস আই সুমন ও এস আই কুতুবউদ্দিনের সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রযুক্তির ব্যবহার করে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কুলশি থানার ঝাউতলা এলাকা থেকে ধর্ষক আল-আমিনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাহবুব আলম আরও কুমিল্লার বার্তা ডটকমকে জানায়, অপরাধ দমনে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে। শুক্রবার কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।