নাঙ্গলকোটে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি ● নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা ইউনিয়নের দামুরপাড় গ্রামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় একই এলাকার মান্দ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মো. সুমন হোসেন (২৪)। সে দামুরপাড় গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মো. সুমন হোসেন পেশায় অটোরিক্সাচালক ছিলেন। সে শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মান্দ্রা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য খালেকের বাড়ীর সামনের সড়কে অটোরিক্সা থামিয়ে এরমধ্যে যাত্রীর অপেক্ষায় বসে থাকেন। এরপর ১০টার দিকে ওই পথ ধরে যাওয়ার স্থানীয় কয়েকজন লোক তাঁকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁর পরিবারকে খবর দেয়।

এরপর সুমনের পিতা আবদুল কাদের নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তবে একটি বিশ্বস্থ সূত্র জানায়, নিহত সুমন ইতিপূর্বে পরিবারের লোকজনের সাথে ঝড়গা করে আরো দু’বার আত্মহ্যার প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। এছাড়াও গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর পিতা আবদুল কাদেরের সাথে সংসার চালানোর টাকা পয়সা নিয়ে ঝড়গা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ূব বলেন, নিহতের বাবা আবদুল কাদের থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। কিন্তু ঘটনার বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা কেউ দাবী করছে সে আত্মহত্যা করেছে। আবার কেউ দাবী করছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে (স্ট্রোক) মারা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দু’রকম বক্তব্য দেয়ার ফলে তাঁর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেজন্য মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।