তিতাসে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক ● তিতাসে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে ৪জন আহত হয়েছে এবং ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসতঘরে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উত্তর আকালিয়া গ্রামে। রবিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামের মৃত ছামু মিয়ার ছেলে আক্তার গং ও একই গ্রামের আব্বাস আলী গংদের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

তারই জের ধরে শনিবার সকালে আক্তার(৫০) বাতাকান্দি বাজারস্থ তার মাংসের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবরস্থান নামক স্থানে পৌছলে প্রতিপক্ষ আব্বাস আলীর ছেলে শাহ আলম, হোসেন, মিজান, হাসান ও ইয়াছিন গং পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আক্তারকে পথরোধ করে এ্যালোপাথারী পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে এবং তার সাথে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যায়।

এ সময় তার চিৎকার শুনে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পপি আক্তার ঘটনাস্থলে এলে তাকেও মারধর করে আহত করে। প্রতিপক্ষ শাহ আলম গং বাড়ি ফেরার পথে পপি আক্তারের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকেও (৬) আঘাত করে। এসময় আক্তারের স্বজনরা আহতদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আক্তার ও পপিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল প্রেরণ করে।

এদিকে এই ঘটনার পর থেকে আব্বাস আলী গং গাঢাকা দিলে ওই রাতেই আব্বাস আলীর ও তার ছেলে শাহ আলম, হোসেন, মিজান ও মেয়ে পারভীনের মোট ৫টি বসতঘর খালি পেয়ে কে বা করা লুটপাট করেছে বলে আব্বাস আলীর পরিবার অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে ওই গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, বেশ কয়েকদিন আগে আক্তার গং ও আব্বাস আলী গংদের মাঝে একটি রাস্তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই সময় আব্বাস আলীর ছেলে মিজান (৩৬) গুরুতর আহত হয়। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও কোন মামলা হয়নি।

তবে গ্রামবাসী উভয় পক্ষকে শালিসের মাধ্যমে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু আব্বাস আলী গং তাতে রাজী না হয়ে প্রতিশোধপরায়ণ হয়েই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটায়।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।