কুমিল্লা-নোয়াখালী ভাঙা সড়কে দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের ৭২ কিলোমিটারের অধিকাংশই ভাঙা। কয়েক মাস ধরে মহাসড়কের এ বেহাল অবস্থা বিরাজ করায় দুর্ভোগে পড়ছেন এই সড়কে চলাচলকারী কয়েক হাজার মানুষ।

ভাঙা সড়কে গাড়ি চালাতে গিয়ে সময় অপচয়, যানজট আর গাড়ি বিকল হওয়ায় ক্ষুব্ধ পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। যাত্রী ও চালকরা জানান, কুমিল্লা পদুয়ার বাজারের পর থেকে শুরু খানাখন্দেভরা রাস্তা। কিছু স্থানে গর্তে ইট ফেলায় তা মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে গাড়ি চলছে হেলেদুলে। ধীরগতিতর কারণে প্রায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা বাগমারা বাজার ও লাকসাম জংশনের উত্তর দিকে। সেখানে গর্তে গাড়ির চাকা আটকে যাচ্ছে।

বাগমারা বাজারে প্রতিনিয়ত যানজট লাগছে। এছাড়া লালমাই, হরিশ্চর, লাকসাম বাইপাস, খিলা, নাথেরপেটুয়া, বিপুলাসার, সোনাইমুড়ি, বেগমগঞ্জ থানা এলাকাসহ মাইজদীর বিভিন্ন অংশে সড়ক ভাঙা রয়েছে।

লাকসামের পোলাইয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক বাসযাত্রী জানান, ২/৩ মাস ধরে এ সড়কে স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করা যায় না। বাসে চলাচলের পর শরীরের গিটে গিটে ব্যথা হয়।

বাসচালক মামুনুর রশিদ জানান, সড়ক ভাঙা হওয়ায় ঘন ঘন গাড়ি বিকল হচ্ছে। ভাঙা অংশ এলে যাত্রীরা ঝাঁকুনির ভয়ে বাস থেকে নেমে যেতে চান।

কুমিল্লা জেলা পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি অধ্যক্ষ কবির আহমেদ বলেন, কয়েক মাস ধরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল অবস্থা। গাড়িগুলো গর্তে পড়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। যানজট লাগছে, যাত্রীরা কষ্ট পাচ্ছেন।

সড়ক ও জনপথ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা কিছু অংশ ইট দিয়ে সংস্কার করেছি। এ সড়কে ৫-৬ মাসের মধ্যে ফোর লেনের কাজ শুরুর হওয়ার কথা। এর আগে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে পদক্ষেপ নেবো’।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।