কুমিল্লায় ৩ লাখ পশুর চাহিদা, মজুদ সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক ● আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে কুমিল্লা জেলায় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ পশুর চাহিদার বিপরীতে মজুদ সংকট রয়েছে। এদিকে ভারত-বার্মার গরু আসতে পারে বলে লাভ নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন কুমিল্লার কৃষক ও খামারিরা।

সূত্র জানায়, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলায় আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে গরু ও ছাগলের চাহিদা রয়েছে তিন লাখ ৪৭ হাজার ২৯৭টি। চাহিদার বিপরীতে মজুদ আছে তিন লাখ ৪৬ হাজার ২৬৬টি।

জেলার মধ্যে বেশি কৃষক ও খামারি রয়েছে হোমনা উপজেলায় নয় হাজার ৫৩৭ জন, গরু-ছাগলের সংখ্যা ২৭ হাজার ৭৭৫টি। খামারি কম মনোহরগঞ্জ উপজেলায় দুই হাজার ৭০ জন। গরু-ছাগল কম রয়েছে লাকসাম উপজেলায় ১২ হাজার ১৯৯টি।

কুমিল্লার খামারগুলোতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে তিন লাখ টাকারও বেশি দামের গরু রয়েছে। দেশি জাতের সাথে রয়েছে হরিয়ানা, সিন্ধি ও নেপালি জাতের গরু।

এদিকে দেশের উত্তরাঞ্চল দিয়ে ভারত থেকে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম দিয়ে বার্মা থেকে গরু আসলে দাম কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন কুমিল্লার কৃষক ও খামারিরা। কুমিল্লায় কোনো অবৈধ প্রক্রিয়ায় গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে না বলেও জানান খামারিরা।

অন্যদিকে কুমিল্লায় এখনও গরুর বাজার জমে না উঠলেও বিভিন্ন খামারে গিয়ে গরু দেখছেন ক্রেতারা। তাদের মতে, খামার থেকে দেখে গরু কিনলে লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে। জেলার বড় খামার সুমন ডেইরি ও মিট ফার্মে দেখা গেলো ক্রেতাদের আনাগোনা।

সুমন ডেইরি ও মিট ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী মজিবুর রহমান সুমন বলেন, “সীমান্তে নজরদারি বাড়ালে ভারত ও বার্মা থেকে গরু আসতে পারবে না। এতে ভালো দাম পাবেন কৃষক ও খামারিরা।”

কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল মান্নান জানান, জেলায় কোরবানির গরুর সঙ্কট হবে না। কারণ অন্য জেলা থেকে গরু আসবে। এছাড়া এখানে অবৈধ উপায়ে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে না। রোগাক্রান্ত গরু শনাক্তে জেলার স্থায়ী ২৬৩টিসহ অস্থায়ী মিলিয়ে চার শতাধিক হাটে ৬৮টি ভ্রাম্যমাণ ভেটেনারি মেডিক্যাল টিম কাজ করবে।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।