কুমিল্লায় সোয়া ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ● চৈত্রের বৃষ্টির কবলে পড়ে কুমিল্লা নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে। বুধবার দুপুরে এক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট।

এতে নগরীতে যানবাহন চলাচলও সীমিত হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজসহ অফিস ফেরত লোকজনদের এ সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বেশকিছু এলাকার দোকানপাটেও পানি ঢুকে পড়ে। গতকাল দুপুর সোয়া ২টা থেকে শুরু হয় বৃষ্টি।

বিকেল সাড়ে ৩টায় যখন বৃষ্টি থামে, তখন নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় নজরুল অ্যাভিনিউ সড়কসহ জিলা স্কুল, স্টেডিয়াম রোড, লাকসাম রোড, দক্ষিণ চর্থা, উত্তর চর্থা, মুরাদপুর, রেসকোর্স, শাসনগাছা, ডিসি রোড, সদর হাসপাতাল রোড, ইপিজেড রোড, কালিয়াজুড়ি, মুরাদপুর, অশোকতলাসহ বিভিন্ন স্থানের সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

এ সময় স্কুল, কলেজ ও অফিস ফেরত লোকজনদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জলাবদ্ধতার কারণে নগরীতে রিকশা ও ইজিবাইক চলাচলও কমে আসে। স্টেডিয়াম ও নজরুল অ্যাভিনিউ এলাকার দোকানগুলোতে পানি প্রবেশ করায় দোকানিরা মালামাল রক্ষায় ব্যস্ত সময় পার করেন।

কান্দিরপাড় এলাকার স্বপন নামের এক দোকানি জানান, নগরীর কান্দিরপাড়সহ প্রতিটি এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। এসব ভবনের মালিকপক্ষ সড়ক, ফুটপাত এলাকায় রড, বালু, পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী রাখার কারণে ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে পড়েছে। ফলে পানি স্বাভাবিকভাবে সরতে না পারায় এ দুর্ভোগ।

এদিকে সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ মেয়র ক্ষমতা ছাড়ার পর বিগত প্রায় দু’মাস নগরীর ড্রেনগুলো পরিষ্কার না হওয়ার কারণেই এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

সিটি করপোরেশন বর্তমানে প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবার পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর কী ব্যবস্থা নেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।