কুমিল্লায় সুনির্দিষ্ট স্থানে জবাই করতে হবে কোরবানির পশু

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ● সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে কুমিল্লা জেলায় কোরবানির পশু জবাইয়ে সাড়ে ১২ হাজার সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিনিয়র তথ্য অফিসার মীর হোসেন আহসানুল কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেলা তথ্য অফিস সূত্রমতে, কুমিল্ল‍া সিটি করপোরেশন (কুসিক) এলাকায় ১৯০টি স্থানসহ পৌর এলাকাগুলোর মধ্যে হোমনায় ৪৩টি, বরুড়ায় ১২৮টি, দেবিদ্বারে ১৮০টি, দাউদকান্দিতে ৮৩টি, নাঙ্গলকোটে ৬০টি, লাকসামে ৬০টি, চৌদ্দগ্রামে ৮১টি, চান্দিনায় ৫০টি স্থানে কোরবানি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া উপজেলাগুলোর মধ্যে আদর্শ (সদর) ৬০৫টি, বুড়িচংয়ে ৮৫টি, ব্রাহ্মণপাড়ায় ৮০টি, দেবিদ্বারে ১৭২৩টি, হোমনায় ৩৬৭টি, মেঘনায় ৩০৬টি, চান্দিনায় ৫০৫টি, লাকসামে ১৭৮৩টি, নাঙ্গলকোটে ৪১৯টি, চৌদ্দগ্রামে ৯১৫টি, সদর দক্ষিণে ৮০০টি, মুরাদনগরে ১১৫১টি, মনোহরগঞ্জে ২৯৭টি, তিতাসে ৩৫১টি, বরুড়ায় ২২৭টি এবং দাউদকান্দিতে ৩০১টিসহ পুরো জেলায় মোট ১২ হাজার ৫’শ কোরবানি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্য অফিসার মীর হোসেন আহসানুল কবীর জানান, এসব স্থানে পশু কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইমাম/মাওলানা এবং কসাই নিয়োজিত থাকবে। এ সব নির্দিষ্ট স্থান ব্যতিত অন্যকোনো স্থানে পশু জবাই না করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। কারণ রাস্তা বা যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই করলে দুর্গন্ধ ছড়ায়, পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং রোগ-জীবাণু ছড়ায়।

তাই, সর্ব সাধারণকে নিদিষ্ট স্থানে কোরবানির পশু জবাই করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। নিদিষ্ট স্থানের নাম সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রচারণার মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।