কুমিল্লায় পুলিশের বাঁধায় যুবদল ও ছাত্রদলে মিছিল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুমিল্লায় যুবদল ও ছাত্রদলের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। মিছিল থেকে ব্যানার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে যুবদলের নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বুধবার সকালে পৃথক পৃথক মিছিল বের করে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা ও মহানগর যুবদল ও ছাত্রদল। উভয় মিছিলেই পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। এ সময় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের সাথে পুলিশের বাকবিতন্ডা হয়। মিছিলটি কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজ রোডস্থ দলীয় অফিসের সামনে থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ মিছিলটি যাতে সামনে না এগিয়ে যায় সে জন্য বাধা প্রদান করে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন কায়সার জানান, আমরা আমাদের নেতার মিথ্যা গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ন বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ আমাদের অহেতুক বাঁধা প্রদান করে। যা গনতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক অধিকার হরনের শামিল। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনা কুমিল্লার জন্য কখনো সুস্থ্য পরিবেশ বয়ে আনবে না।

এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সালাম মিয়া বলেন, পুলিশ তাদের মিছিলে বাঁধা প্রদান করেনি।এ সময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক,তরুন বিএনপি নেতা আমিরুজ্জামান আমির,জেলা যুবদলের সভাপতি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,সাধারন সম্পদক হাজী আনোয়ারুল হক,মহানগর যুবদলের সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু ও সহ-সভাপতি মঞ্জুর আলম রুবেল এবং ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে ছিল জেলা দক্ষিণ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন কায়সার এবং সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমেদ ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

যুবদলের সভাপতি আশিকুর রহমান ওয়াসিম বলেন, পুলিশ এখন ক্ষমতাসীন দলের লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত দিতেও প্রস্তুত বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মাকছুদুল আলম খন্দকার বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে।’ কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সালাহউদ্দিন বলেন বলেন, জনগণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় পুলিশ তাঁদের (নেতা-কর্মীদের) সরিয়ে দিয়েছে।