কুমিল্লায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল চাচাতো ভাই

নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুমিল্লায় দ্বিতীয় শ্রেণির মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে মো. খোকন মিয়া (৩০) নামের এক যুবক। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ধর্ষক খোকন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২ মে সকালে জেলার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ভোষণা গ্রামে বাড়ির পাশে মক্তবে যাওয়ার পথে শিশুটিকে তার চাচাতো ভাই দুই সন্তানের জনক ভ্যানচালক মো. খোকন মিয়া ফুসলে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে আটকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ঘটনাটি কাউকে বললে তাকে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভিকটিম আর্তচিৎকার করলে ধর্ষক খোকন মিয়া পালিয়ে যায় এবং স্থানীয় লোকজন এসে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে তার মায়ের কাছে নিয়ে গেলে সে ঘটনার বর্ণনা দেয়। ভিক্টিমের মা’ ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রেখে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাতে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্রুত রেফার করেন। পরে গত বুধবার এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে এবং জনমনে ক্ষোভ দেখা দিলে, পুলিশও ঘটনার অনুসন্ধানে মাঠে নামেন। দেবিদ্বার সার্কেল সিনিয়র এ এস পি শেখ মোহাম্মদ সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান কুমিল্লার বার্তা ডটকমকে জানান, গত বুধবার রাতে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে ধর্ষক মো. খোকন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে ভূষণা গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ধর্ষক খোকনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের হাজির করলে তিনি ধর্ষণের ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে ৪নং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট বিপ্লব দেবনাথ তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।