কুমিল্লায় আটক ‘জঙ্গি’দের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুমিল্লা থেকে আটক তিন এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক পাঁচ জঙ্গির দেশে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগর এলাকায় র‌্যাব-১১ এর প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য জানান র‌্যাব-১১ এর সিও লে.কর্নেল কামরুল হাসান।

তিনি জানান, আটকরা নাশকতার জন্য নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও ঢাকা, কুমিল্লা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। এজন্য সারাদেশে তথ্য প্রযুক্তি, জঙ্গিবাদ ও অস্ত্র চালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী তাদের বিপুল সদস্য ছড়িয়ে আছে। নাশকতা রোধে র‌্যাবের জঙ্গিবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের আট সদস্যকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি ককটেল, বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য ও জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন – কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকার আক্তারুজ্জামান ওরফে মারুফ (৩২), গৌরীপুর এলাকার আবুল কাশেম মুন্সী (৩১), মুরাদনগর এলাকার হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক (৩২), রাজধানী ঢাকার ডেমরা এলাকার জামাল ওরফে রাসেল জিহাদি (৩৫), ডেমরা কদমতলী এলাকার খন্দকার আবু নাঈম ওরফে নাঈম জিহাদি (৪৯), কোনাপাড়া এলাকার মো. নূরুল আবছার (২৭), সিদ্ধিরগঞ্জের মো. মহসিন (৫২) ও রূপগঞ্জের জাবির হাওলাদার (২২)।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেএমবি সদস্যদের গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি দল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাইনবোর্ড এলাকার পারিজাত মার্কেটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় জেএমবির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে জেএমবির প্রধান সমন্বয়ক রাসেল জিহাদিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এ সময় সেখানে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকটি ককটেল, বিপুল গান পাউডার, বিস্ফোরক দ্রব্য ও জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কুমিল্লার কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।