কুমিল্লায় অল্পের জন্য রক্ষা পেল ট্রেনের ৫ শতাধিক যাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুমিল্লায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের অন্তত পাঁচ শতাধিক যাত্রী। ট্রেনটির গতি কম থাকায় হতাহতের ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পেয়েছে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সোমবার কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।

এদিকে লাকসাম থেকে বিকল্প একটি ইঞ্জিন এনে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা ছেড়ে যায়। তবে লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের ইঞ্জিন এবং একটি বগি উদ্ধার করতে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে।

রেলের যাত্রী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের ১নং ফ্ল্যাট ফর্মে প্রবেশের সময় নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেসের ট্রেনের ইঞ্জিন ও একটি বগির দুইটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ট্রেনের গতি কম থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ সময় ট্রেনটির ১৮টি বগিতে পাঁচ শতাধিক যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনার ফলে ট্রেনের পাঁচ শতাধিক যাত্রী স্টেশনে আটকা পড়েন।

ওই ট্রেনের যাত্রী ব্যবসায়ী সালেহ আহাম্মদ ও বীমা কর্মী তফাজ্জল হোসেন জানান, স্টেশনে প্রবেশের সময় হঠাৎ বিকট শব্দ হয়ে ট্রেনটি থেমে যায়, এ সময় পুরো ট্রেনেই যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই এ সময় ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন।

কুমিল্লা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার সফিকুর রহমান জানান, দুপুর ১২টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনার পর দুর্ঘটনার ফলে আটকা পড়া ওই ট্রেনের ১৭টি বগি নিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল রুটে ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। দুর্ঘটনা কবলিত ইঞ্জিন এবং বগি লাকসাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে বিকেল ৬টার দিকে উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনা স্টেশনে না ঘটে অন্য কোনো স্থানে ঘটলে হয়তো অনেক হতাহতের সম্ভাবনা ছিল।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।