আবারও সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক ● টানা চতুর্থ বারের মত লাকসাম আতাকরা স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন ফারুক। মঙ্গলবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে নতুন গভর্নিং বডির অনুমোদন দেওয়া হয়।

দেলোয়ার হোসেন ফারুক দেশের একজন সুপরিচিত তরুণ তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং আইটি ব্যাবসায়ি। তিনি সফটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের প্রধান সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান।

দেলোয়ার হোসেন ফারুক লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আতাকরা হাই স্কুলকে কলেজে রূপান্তরিত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।

ছাত্রজীবনে তিনি লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগে (আ-মি) এর সদস্য, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ (প-ফি) এর যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা মহানগর (উত্তর) (ই-প) এর সহ-সভাপতি সহ তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন এবং সর্বশেষ তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত। দেলোয়ার হোসেন ফারুক ছোটকাল থেকেই মানুষের সুখে সুখী এবং মানুষের দুঃখে ব্যথিত হতেন। তিনি মনে মনে সদা সমাজ সেবার চিত্র অংকন করতেন। স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। বর্তমানে তিনি রেডিসন টেকনোলজীস্ লি. এর চেয়ারম্যান।

এছাড়া তাঁর অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে রয়েছে রেডিসন বিল্ডার্স এন্ড হাউজিং লি. রেডিসন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রেডিসন মিডিয়া হাউজ। তিনি দৈনিক আমাদের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক (প্রকাশিতব্য)। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি আইসিটি বিষয়ক একটি সেমিনারে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। সেখানে ওই সেমিনারে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউএস ডিপার্টমেন্ট স্টেট এর সিনিয়র উপদেষ্টা ড. মিতুল ডেসাই, কংগ্রেসম্যান মাইকেল হোল্ডা, ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রবক্তা সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিয়ার রহমান প্রমূখ।

এছাড়া তিনি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সফরে জার্মানী, হল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইতালী, ফ্যান্স, মালেয়শিয়া, থাইল্যান্ড, দুবাই ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন। দেলোয়ার হোসেন ফারুক ব্যবসায়িক কাজে বর্তমানে দেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করলেও তিনি তাঁর মাতৃভূতি (আতকরা) গ্রামকে মনে-প্রাণে ভালোবাসেন। নাড়ির টানে তিনি প্রতিমাসে শত ব্যস্ততার মাঝেও বাড়িতে আসেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন প্রকৃত সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী। তিনি নিরবে দরিদ্রপীড়িত মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। দারিদ্রতার যাঁতাকলে পিষ্ট অনেক পরিবারের সন্তান তাঁর টাকায় কলেজে ভর্তি, বই পুস্তক ক্রয়, ফরমফিলাপ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে মেধার স্বাক্ষর রেখে শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে পদার্পণ করছে।

শুধু আতাকরায় গ্রামেই শিক্ষার্থীদের বেলায় এমন নয়, লাকসাম-মনোহরগঞ্জের অনেক ছেলে-মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া ২০০৩ সালে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে উত্তরদা ইউনিয়নের পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার আয়োজন করে শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। এছাড়াও তিনি দরিদ্র মেয়ের বিয়ে-চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী কর্মকান্ডে সাধ্যানুসারে সহযোগিতা করে আসছেন।

error: দুঃখিত কুমিল্লার বার্তার কোন কনটেন্ট কপি করা যায় না।