কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে দুই আফগান!

কুমিল্লার বার্তা ডেস্ক ● শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেটের চরিত্রটা মোহাম্মদ নবী, রশিদ খানের ভালই জানা। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০তে বোলিংয়ে কতোটা কার্যকরী ভুমিকা রাখতে হয় পারফর্ম করে জানিয়ে দিয়েছেন তা এই অফ এবং লেগ স্পিন জুটি। ১৩ মাস আগে এই ভেন্যুতেই বাংলাদেশ দলের নাভিশ্বাস উঠিয়ে ছেড়েছিলেন এই বোলিং জুটি। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তরুন রশিদ খানের শিকারের সমস্টি ৭ উইকেট,সেখানে ৫ !

বিপিএল টি-২০’র এই আসরে এই জুটিতে নির্ভার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। রবিবার রাতে রাজশাহী কিংসকে এমন ধাক্কা দিয়েছে এই স্পিন জুটি, তাতেই ছিন্ন ভিন্ন রাজশাহী কিংস। পাল্লা দিয়ে করেছেন ডট বল। মোহাম্মদ নবী ২৪টি ডেলিভারীর মধ্যে ১৫টি করেছেন ডট বল, সেখানে রশিদ খানের ডট বলের সংখ্যা ১৭ ! অফ স্পিনার নবীর ৪ ওভারের স্পেলে ৩ উইকেট, ওভারপ্রতি খরচা মাত্র ৩.৭৫। সেখানে প্রথম স্পেলে ( ৩-০-৬-১) রাজশাহী কিংসের কাঁপুনি ধরিয়ে দেয়া রশিদ খানের খরচা ওভারপ্রতি মাত্র ১.৭৫ !

এমন বোলিং কম্বিনেশনে ১১৫ রানে রাজশাহী কিংসকে আটকে ফেলে প্রকারান্তরে বড় জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ২৯ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের বিশাল জয়ে হেসেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স । ভাগ্যটাও ছিল বীরদের পক্ষে।

০ এবং ৩ রানের মাথায় বেঁচে যাওয়া লিটন দাস ফরহাদ রেজার উপর হয়েছিলেন চড়াও, ৫ বলে ২ ছক্কা,২ বাউন্ডারিতে ২২ রান আদায় করে ফরহাদ রেজার শিকারে পরিনত হয়েও পেয়েছেন বাহাবা কুমিল্লা ওপেনার (২৩)।

জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে দায়িত্বটা নিয়েছিলেন দ্বিতীয় উইকেট জুটির দুই ব্যাটসম্যান জস বাটলার,ইমরুল কায়েস। ৭৭ বলে ৯৭ রানের পার্টনারশিপে বড় জয়ে মাঠ ছেড়েছে ভিক্টোরিয়ান্স। টুয়েন্টি-২০ ক্যারিয়ারে ২৩তম ফিফটিতে খেলেছেন বাটলার ৩৯টি বল, মেরেছেন ৪ বাউন্ডারির পাশে ২ ছক্কা। সেখানে পার্টনার ইমরুল কায়েস ৪১ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় ছিলেন অবিচ্ছিন্ন ৪৪ রানে। উইকেট মাত্র ১টি, তবে রাজশাহী কিংসকে চেপে ধরা বোলিংয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রশিদ খান।