কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রীর শরীর ঝলসে দেওয়া হল গরম পানি দিয়ে

কুমিল্লার বার্তা ডেস্ক ● কুমিল্লার ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের গজারীয়া গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর শরীরে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়েছে তার শাশুড়ী ও জা। আহত গৃহবধু বর্তমানে কুমেক হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ সু-পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চুলায় বসানো ফুটন্ত গরম পানি সপ্নার শরীরে ঢেলে দেয়া হয়।

আহত সপ্নার ভাই মধ্যে সিদলাই গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে আলা উদ্দিন জানান, গত চার বছর পূর্বে একই উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মৃত অলি মিয়ার ছেলে প্রবাসী রফিকুল ইসলামের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে সপ্নাকে তার শাশুড়ী রৌশনারা বেগম, জা তাসলিমা আক্তার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাররীক ও মানষিক ভাবে অত্যাচার করে আসছে। গত কিছু দিন পূর্বে সপ্নার স্বামী রফিকুল ইসলাম প্রবাসে চলে গেলে সপ্নার শাশুড়ী ও জা, জাকির হোসেনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার গত ২০ জানুয়ারী দুপুরে হত্যার উদ্দেশ্যে চুলায় বসানো ফুটন্ত গরম পানি সপ্নার শরীরে ঢেলে দেয়।

এসময় সপ্নার ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে তাকে ঘটনার স্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মনপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আ্শংখ্যা জনক দেখে তাকে কুমেক হাসপাতালে রেফার করার পর তার স্বজনরা তাকে কুমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে উক্ত হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সপ্না জানান, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার শাশুড়ী ও জা ঘটনার দিন আমি কিছু বুঝে উঠার পূর্বে আমার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়, এতে আমার শরীরের গলা হইতে কোমড় পযর্ন্ত গরম পানিয় ঝলসে গেছে। এই ব্যাপারে সপ্নার বাবা সিদলাই গ্রামের খোরশেদ আলম (মাইক সাভির্স) জানান আমার মেয়ের বিয়ের পর থেকে তার শাশুড়ী রৌশনারা বেগম ও দেবর মিঠু মিয়া, ননদ সীমা আক্তার, এবং জা তাসলিমা আক্তার আমার অসহায় মেয়েকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আসছে। ঘটনার দিন তার শাশুড়ী ও জা সপ্নার শরীরে গরম পানি ঢেলে হত্যা করতে চেয়েছে।

বর্তমানে সপ্না মৃত্যুর সাথে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এই ব্যাপারে তার শাশুড়ী রৌশনারার সাথে কয়েক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।