কুমিল্লার মেয়রের প্রতি খোলা চিঠি

মোসলেহ উদ্দিন ● সম্প্রতি পত্রিকায় দেখলাম কুমিল্লার নগর পিতা-কে দুদকের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে বলছে হাইকোর্ট। জানি না পরপর দুইবার কুসিকের দায়িত্ব পালন করা মাননীয় মেয়র মুক্ত পরিবেশে আছেন কিনা? যদি থাকেন তাহলে শতাব্দী প্রাচীন এই নগরের একজন সাধারন বাসিন্দা হিসেবে মেয়র মহোদয়ের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ সকাল ৭ থেকে ১০ টার মধ্যে একটু টমছম ব্রিজ আসবেন এবং কোটবাড়ি রোডে কষ্ট করে সার্ভে ইনষ্টিটিউট গেইট পর্যন্ত হাঁটবেন অন্ততঃ প্রাতঃ ভ্রমনে হলেও।

না বিব্রত হবেন না আমি বেহাল রাস্তার উন্নয়নের কথা বলছি না সুতরাং রাস্তাটি জেলা পরিষদ কিংবা সওজের সে অজুহাত দেওয়ার প্রয়োজন নেই!

আমি বলছি এই নগরের বাসিন্দাদের অভিভাবকতো আপনি নগরের কাঁচা বাজার গুলোও নিশ্চয় আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন। আপনি কি কখনো বিশেষ করে সকাল বেলায় ঐ রোডে গিয়েছেন? রাস্তার দুইপাশের ফুটপাত বহুআগেই চলে গেছে কাঁচা বাজার- মাছ বাজার আর মাংস দোকানিদের দখলে। টমছম ব্রীজ-কোটবাড়ি রোডে কুবি কুপই সিসিএন সহ ডজনের উপর শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শতাধিক বাসের চাপে এই রাস্তায় অত্যবশকীয় চলাচলকারী স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী ও আমাদের হচ্ছে বেহাল দশা।

মাঝ রাস্তা দিয়ে নিরুপায় হাঁটতে গিয়ে সিএনজি-অটোর ধাক্কায় প্রতিদিনই বাড়ছে ভুক্তাভোগীর সংখ্যা। হসপিটালেও যেতে হচ্ছে অনেককেই। সিভিল এভিয়েশন-বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আন্তরিক পদক্ষেপে ইতিমধ্যে টমছম ব্রীজ-মেডিকেল রোডের ফল দোকানি গুলোর ঠিকানা হয়েছে চার দেওয়ালে সীমনাবন্ধী নিরাপদে হাঁটার অধিকার পেয়েছে সাধারন পথচারী ও স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

আশা করছি আপনার কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের (কুসিক) একটু আন্তরিকতায় বিহীত হতে পারে ফুটপাতে গজে উঠা টমছম ব্রীজ কাঁচা বাজারের।আমাদের হাজারো পথচারীর মতো নিরাপদে পথ চলার অধিকার নিশ্চিত হতে পারে স্কুল-মাদ্রাসাগামী শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থীর।

মাননীয় মেয়র প্লিজ একটু নজর দিন আপনার দৃড় একটা পদক্ষেপে সিভিল এভিয়েশনের পরিত্যাক্ত মাঠটি হতে কাঁচা বাজারের জঞ্জালমুক্ত নতুন ঠিকানা। আপনি দুই-দুইবার আমজনতার ভোটে নির্বাচিত মেয়র আপনি দাঁড়ালে সঙ্গে পাবেন সকল-কেই আশাকরি আপনি ব্যর্থ হবেন না।

লেখকঃ রোটারিয়ান ও কৃষিবিদ