মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র নিয়ে খোলাচিঠি

আমি এ.টি.এম তরিকত উল্লাহ সম্পাদক ও প্রকাশক সাপ্তাহিক মুক্ত বাংলাদেশ ও অনলাইন টিভি ও নিউজ পোর্টাল মুক্তবাংলা (যাহা ব্যাপক আয়োজন ও পরিসরে শীঘ্রই সম্প্রচারে আসছে) এবং মুক্তবাংলা ইন্টারন্যাশনাল লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেইসকোর্স, কুমিল্লা। পিতা: মৃত আলহাজ্ব এ টি এম শামছুল হক সাং-শংকুচাইল, বুড়িচং, কুমিল্লা। আমি একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করি। আমার পিতা ধনাঢ্য ও দানবীর ছিলেন। তৎকালীন সময়ের বিশিষ্ট ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্টার ছিলেন। তিনি মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং উদ্যোক্তাও ছিলেন। তিনি ছিলেন পরোপকারী ও মানুষের কল্যানে নিবেদিত একপ্রাণ। এছাড়াও আমার পিতৃকুল ও মাতৃকুলের প্রায় সকল আতœীয়-স্বজনই উচ্চবিত্ত ও আভিজাত্যের অধিকারী, ভদ্র, মার্জিত, প্রবল ধার্মিক পরোপকারী, সৎ ও ন্যায়পরায়ন। সেই ধারাবাহিকতায় ও আমার পিতার উত্তরসূরী হিসেবে আমিও মাত্র ২৩বছর বয়সেই একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করি। এছাড়াও বর্তমানে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করি এবং সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করার চেষ্টা করি। প্রথমে স্বীকার করছি চলার পথে অপরিকল্পিত বা ভুলবশত দুই-একটা ভুল থাকতে পারে (কারন পৃথিবীতে কেউ ভুল ক্রটির উর্ধ্বে নয় বা ফেরেশতা নয়)। মূলত আমি নিজেকে এবং প্রতিষ্ঠানকে সততা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে মানুষের হৃদয়ে ঠাই করাই আমার মূল লক্ষ্য।

বিশাল সৃষ্টিশীলতা, মেধা, প্রজ্ঞা, সততা, আন্তরিকতা, ধৈর্য্য, অটল লক্ষ্য ও প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে কুমিল্লাতে মানুষের জন্য আর্শীবাদ স্বরুপ যাত্রা শুরু করলেও কুচক্রিমহলের ছোঁবলে পুরো কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং কুচক্রিমহলের বিষাক্ত দৃষ্টি ও খুব কৌশলে কুৎসা রটানোসহ নানা কর্মকান্ডে অর্থনৈতিক ও ইমেজ সংকটসহ নানা জটিলতা শুরু হয়। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত বিভিন্ন মানুষ, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষণার্থীরা আতংকিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মানুষ ও মানবতার কল্যাণে জন্য জন্ম হওয়া মুক্তবাংলার কার্যক্রম সাময়িক মুখ থুবড়ে পড়লেও পূর্বের চেয়ে আরো অনেক মনোবল নিয়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে আরো দুর্দান্তগতিতে এগিয়ে যাওয়ার আশা করছি। চক্রান্তের মূলহোতারা ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও সাহায্যকারীদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চাই মহৎ কাজে ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন। হিং¯্র মনোভাবের কারনে মহৎ কার্যক্রমকে ব্যাহত করবেন না। আমি আদর্শের আলোকে সততা, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, ধৈর্য্য, ভদ্রতা ও ন¤্রতার পরিচয় দিচ্ছি বলে বেপরোয়া হওয়াটা বোকামীর পরিচয়। কারন ইতিহাস বলে সর্বশেষে ষড়যন্ত্রকারীরা আস্থাকূড়েই নিক্ষিপ্ত হয়।

পরিতাপের বিষয়, আমার ব্যাপক কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন ঘূন্য কারনে কুচক্রি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নারী নির্যাতন, ধর্ষন, টাকা আতœসাৎসহ যতসব ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। কথা আছে সত্যের মৃত্যু নেই, সত্যের জয় বারবার হয় এবং পাপী যত চুতুরই হোক ভুল সে করবেই। সেই সূত্রে আল্লাহর অশেষ রহমতে ঘটনাক্রমে নোংরা ও ভয়ংকর সকল ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যায় এবং ধূলিসাৎ হয়ে যায় আমাকে ও প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার বড় পরিকল্পনা। কিন্তু থেমে নেই ষড়যন্ত্রকারীরা চলছে নানা নোংরা কর্মকান্ড। নি¤েœ তার সারবস্তু তুলা ধরা হলো এবং বর্ণনার প্রতিটি অক্ষরের প্রমাণ স্বরুপ অডিও ও ভিডিও রেকর্ডিংসহ পর্যাপ্ত প্রমাণাধী সংরক্ষণে আছে।

কুমিল্লার মানুষ বরাবরই সৃষ্টিশীল সেই ধারাবাহিকতা মুক্তবাংলা সৃষ্টিশীলতা ও সৃজনশীলতার অপূর্ব সমন্বয়ে অটল লক্ষ্য আর প্রবল ইচ্ছা শক্তি নিয়ে অসাধারন এক ব্যতিক্রম কনসেপ্ট নিয়ে মানুষ ও মানবতার কল্যাণে কুমিল্লাতে যাত্রা করলেও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা প্রতিশ্রুতিশীল ও অঙ্গীকারবদ্ধ। বরাবরই আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ও মহৎ। বেসরকারী ভাবে বাংলাদেশে আমরাই প্রথম শর্তসাপেক্ষে কোর্স ফি ফেরৎ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহন করেছি এবং ‘শিক্ষা পণ্য নয়’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কার্যক্রম শুরু করেছি। বিভিন্ন শিক্ষামূলক কোচিং-এ শুধু কুমিল্লা জেলা শহরেই বছরে ২০-৩০কোটি টাকা বাণিজ্য হয় এবং সারাদেশে ৩/৪হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের কষাঘাতে অনেক মেধাবী ও দরিদ্ররা ঝড়ে যায়। আমরা শর্তসাপেক্ষে ফ্রিতে বিভিন্ন শিক্ষামুলক কোচিং ও কর্মমুখীমূলক নানা ট্রেনিং যথা, আউটসোর্সিং ও আইটি সম্পৃক্ত সকল প্রকার কোর্স, ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট ট্রেনিং, ই-কমার্স বিজনেস, ভূমি জরিপ, মোবাইল সার্ভিসিং, পল্লী ডাক্তারসহ নানা কর্মমুখীমুলক কোর্স পরিচালনা ও সহায়তার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহন করেছি। বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোসহ আইটি এক্সপার্ট পাঠানোর ক্ষেত্রে সহায়তা ও সচেতনতা তৈরি করে হতাশাগ্রস্থ বিশাল বেকার জনগোষ্টিকে নানা অপকর্ম থেকে বিমুখ করে কর্মসংস্থান তৈরিসহ বাংলাদেশ সরকারের লক্ষমাত্রা নেওয়া ২০লাখ ফ্রিলান্সার তৈরিতেও বিশাল ভূমিকা রাখবে মুক্তবাংলা। বিশাল সম্বাবনাময় আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সরকার শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় মুক্তবাংলাও ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। ইনশাল্লাহ আগামী ২/৪বছরে ১০হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। ইতিমধ্যে আউটসোর্সিং নিয়ে আমাদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা কুমিল্লার তরুণ-তরুনীরা ব্যাপক উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এবং আমাদের কার্যক্রমে উৎসাহিত হয়ে ২/৪টি নতুন আইটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং কোর্স করানোর উপর জোর দেয়াসহ প্রতিষ্ঠানকে উন্নত আঙ্গিকে ঢেঁলে সাঁজিয়েছে। যা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক।

মোটকথা মুক্তবাংলার বিভিন্ন দূরদর্শী গঠনমূলক কার্যক্রম ও প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষ ও মানবতার কল্যাণ সাধিত হবে।

কিন্তু অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ক্ষতিক্ষারক, কুচক্রিমহল ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন ঘৃন্য কারনে মহৎ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বা বন্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

নিন্ম লিখিত বিভিন্ন বর্ণণা মোতাবেক এবং নামধারী প্রশিক্ষণার্থীরা একযোগে প্রশাসন, বিভিন্ন সংবাদপত্র অফিস, রাজনৈতিকমহলসহ বহু ব্যক্তির নিকট বিচারের নামে কুৎসা রটানো ও নীল নকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিচারের প্রার্থী হওয়া কি ষড়যন্ত্রের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ নয়!

অন্যায়ভাবে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে ৭-৮জন প্রশিক্ষণার্থীর মাত্র ৫০হাজার টাকার অভিযোগ থাকলেও জনপ্রতি ৫-৭হাজার টাকার জন্য অভিযোগকারী হেলাল, ইমরান, মাহাতাবসহ অন্যান্যরা অজোপাড়া গাঁ থেকে এসে এতো ভয়ংকর ও দুঃসাহসিক সকল কর্মকান্ড ও কুট-কৌশল পরিচালনা কি স্পষ্ট ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ নয়!

অভিযোগকারী প্রশিক্ষণার্থীদের নেতৃত্বে থাকা ইমরান শহরের একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা এবং মাহাতাব, হেলাল ও বিল্লাল আইটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনাসহ কনসালটেন্সি ফার্মের সাথে জড়িত আছে। অতএব, কুচক্রিমহলদের আমার কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রকরার বিভিন্ন কারন গুলোর মধ্যে এটিও কি একটি কারন হতে পারে না?

যেখানে প্রতিষ্ঠানে মোট ৪০-৫০লাখ টাকার বিনিয়োগ রয়েছে সেখানে মাত্র ৫০,০০০টাকা আতœসাতের অভিযোগ এনে কুৎসা রটানো কি স্পষ্ট ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ নয়?

মোট কথা বিভিন্ন ঘৃন্য কারনে দু’চারটি কুচক্রিমহল ঘটানাক্রমে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হওয়ার সুযোগ হয় এবং একযোগে সম্মিলিতভাবে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে।

ইতিহাস বলে, বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) থেকে শুরু করে যুগ-যুগ ধরে সকল ভালো কাজে সাময়িক চরম প্রতিবন্ধকতা আসে। তাই আমার দৃঢ় মানোবল অটুট থাকাসহ মুক্তবাংলার কার্যক্রম কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে নিরন্তর সাধনা অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ। মুক্তবাংলার বড় স্বপ্নকে যারা গলা টিপে হত্যার মাধ্যমে মানুষ ও মানবতার ক্ষতি করতে চায় তাদের বিষাক্ত ছোবল হতে মুক্ত হতে এবং মুক্ত বাংলার অগ্রযাত্রা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা দোয়া ও ভালোবাসা চাই।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় আমার বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের হয় এবং গত ৩০-১১-২০১৭ইং দৈনিক ‘আমাদের কুমিল্লা’ পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে সংবাদ ছাপা হয় (যদিও ষড়যন্ত্রকারীরা কুমিল্লার সকল আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ছাপাতে ব্যর্থ হয়)। আমি এই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদে আমাকে ‘কথিত সাংবাদিক’ আউটসোর্সিং-এর প্রশিক্ষক, ২লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা আতœসাৎ করে উধাও, আন্তর্জাতিক একাউন্ট করার কথা বলে টাকা নেওয়াসহ নানা বিভ্রান্তিকর, হাস্যকর মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেওয়াা হয়। মূলত আমি বাংলাদেশ সরকারের ডিক্লারেশন প্রাপ্ত ‘মুক্ত বাংলাদেশ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, ‘মুক্তবাংলা নিউজ ও মুক্তবাংলা টিভি’র (অনলাইন) সম্পাদক। তাহলে সকলের নিকট আমার প্রশ্ন রইলো আমি কথিত সাংবাদিক কিভাবে বরং আমি অনেক সৃজনশীল ও সৃষ্টিশীল সাংবাদিক গড়ার কারিগরও বটে।

আমি কখনো প্রশিক্ষক ছিলাম না এখনো প্রশিক্ষক নই বরং আমি একজন উদ্যোক্তা। আন্তর্জাতিক কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়া নেওয়া মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে অভিযোগকারীদের সাথে মোবাইলে আমার কথোপকথনের প্রমানই যথেষ্ট (যার মোবাইল রেকর্ডিং সংরক্ষণে আছে) অভিযোগকারী প্রশিক্ষণার্থীদের পনের হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছে সেই তথ্য ও মিথ্যা। অভিযোগকারী নামধারী প্রশিক্ষণার্থীরা মূলত জনপ্রতি ৫-৭হাজার দিয়ে ভর্তি হয়েছিল। তাহলে অভিযোগকারীদের মোট টাকার পরিমান ৪০-৫০হাজার টাকা।

মুক্তবাংলা অফিসে ৭-৮লাখ টাকার কম্পিউটার ও নানা যন্ত্রাংশসহ প্রায় ৪০-৫০লক্ষ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে যা কিনা মাত্র ৫০,০০০হাজার টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠান উধাও হওয়ার অভিযোগ তুলা চরম হাস্যকর, মিথ্যাচার, দুঃখজনক ও ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

যৌত্তিক কারনে ঘোষনা ও নোটিশ দিয়ে প্রতিষ্ঠান মাত্র ৭/৮দিনের জন্য বন্ধ দেওয়া মানে কি উধাও হওয়া? এমন অপবাদের অভিযোগ তুলাও ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।

আসলে ষড়যন্ত্রকারীরা আমার বিরুদ্ধে অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিয়েও দোষ ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছিল না এবং মিথ্যা ও ভয়ংকর অভিযোগ আনার চক্রান্তও যখন ফাঁস হয়ে যায় তখন এর চেয়ে বড় অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে তুলা ওদের সাধ্য ছিলনা। আল্লাহর রহমতে আগামীতেও কেউ দোষ ত্রুটি খুজে পাবে না। কারন আমার লক্ষই হল সততা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।

প্রকৃত প্রশিক্ষনার্থীদের আচরন-কার্যকলাপ ও কর্মকান্ড এমন হতে পারেনা। মোট ১২০জন প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে মাত্র ৭/৮জন অভিযোগকারী প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মকান্ড রহস্যমূলক ও প্রশ্নবোধক। ষড়যন্ত্রকারীরা কতিপয় নামধারী কিছু প্রশিক্ষণার্থীকে ঢাল হিসেবে তৈরি করে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। তাদের কর্মকান্ড স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, এসব কর্মকান্ড ছিল কুচক্রিমহলের পূর্ব পরিকল্পিত, সুদূরপ্রসারী ও ব্যাপক কুট-কৌশলের অংশ। চক্রান্তকারীরা ৩/৪জন ভুয়া প্রশিক্ষনার্থীদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নামমাত্র টাকায় ভর্তি করা হয় যেন তাদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে সহজ হয়। নামধারী এই ৭/৮জন ভুয়া প্রশিক্ষণার্থীদের ষড়যন্ত্রে মিশনের অংশ বিশেষ পর্যায়ক্রমে খুব কৌশলে প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থাকা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কর্মকর্তা ও অন্যান্য প্রকৃত প্রশিক্ষনার্থীদের সাথে মিশতে থাকে এবং বিশেষ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য অন্যান্যদের সাথে গভীর বন্ধুত্বে ফাঁদ পাতে এবং খুব কুট কৌশল ব্যবহার করে সকলের মাঝে আমি লল্ডন/আমেরিকা চলে যাবো বা উধাও হয়ে যাবো এমন নানা গুজব আর আতংক ছড়াতে থাকে। বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভনে ফাঁদে পেলে আরো কিছু প্রশিক্ষণার্থীসহ প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত লোকদের অন্যায় ভাবে আমার বিরুদ্ধে দাঁড়াকরানোসহ নানা চক্রান্তে লিপ্ত থাকে যা আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ব্যাপকভাবে লন্ডবন্ডসহ ষড়যন্ত্রের অনেকটা অংশ বাস্তবায়ন করে ফেলে আমার সরলতা, মহৎ ও উদার মনমানসিকতার সুযোগে।

চক্রান্তের গরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলোঃ অক্টোবর মাসে আমার অনুপস্থিতে (আমি তখন ঢাকা ছিলাম) বহিরাগত কিছু লোক ও প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ২/১ জন লোক নিয়ম বর্হিভূত ভাবে নানা অজুহাতে আমার অফিসে এসে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার চেষ্টা করে। এতে কোন দুর্ঘটনা বা ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা এড়াতে আমি প্রতিষ্ঠান ৭দিনের জন্য বন্ধ ঘোষনা করি এবং ঢাকা থেকে ফিরে এসেই পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট সহযোগিতা চেয়ে একটি আবেদন করি। যথাক্রমে যার স্মারক নং – ৫৪৭৩ তারিখ: ১৭-১০-২০১৭, স্মারক নং-২৪৪৮০, তারিখ: ১১-১০-২০১৭ইং। রহস্য আরো ঘনীভূত হতে থাকে চলতে থাকে নানা নাটকীয় ও দুঃখজনক ঘটনা। যাই হোক ২১তারিখ প্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও ১৯তারিখে পূর্বপরিকল্পিত ৫/৭জন প্রশিক্ষনার্থী ও বহিরাগত মিলে মোট ৩০/৪০জনের একটি উশৃঙ্খল দল শহরের চিহ্নিত মাদকসেবী ও সন্ত্রাসী ঝিকু (ছদ্দনাম) (বিশেষ কারনে নাম প্রকাশ করা না হলেও ঐ সন্ত্রাসীর সকল প্রকার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ হচ্ছে যা পরবর্তীতে নিউজ হবে এবং প্রশাসনসহ প্রয়োজনীয় সকল জায়গায় অবশ্যই নাম উল্লেখ হবে) নেতৃত্বে নানা অজুহাতে আমার অফিস ভাংচুরের চেষ্টা চালায় এবং আমাকে নানাবিধ হুমকি-ধমকি অশালীনও অবান্তর নানা কথাসহ গুলি করার হুমকি দেয় একপর্যায়ে নগদ চাঁদা দাবি করে বলে এখন নগদে ৫০,০০০টাকা সহ মাসিক হারে প্রতিনিয়ত চাঁদা দিলে কোন ঝামেলা হবেনা আর না নয় আপনি যত সৎ আর মহৎ হোন না কেন কিভাবে আপনাকে সমাজে কুলুষিত করতে হবে তার সকল উপায় আমাদের জানা আছে এমন নানা হুমকি-ধমকিসহ অফিস ভাংচুরের হুমকি দিলে আমি তাৎক্ষনিক কৌশলি হয়ে চাঁদা দিতে রাজি হইলে পরিবেশ শান্ত হয়। আমি তাৎক্ষনিক বিষয়টি মহানগর যুবলীগ নেতা ও জেলা পরিষদের প্যাণেল চেয়ারম্যান জিএস সহিদ ভাইকে অবগত করলে তিনি বিষয়টি আমলে নেন এবং তড়িৎ ভূমিকা নিলে ঐ যাত্রায় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা থেকে পরিত্রাণ পেলেও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে (যদিও তথ্য রয়েছে এই সন্ত্রাসী কারো উস্কানি বা ইন্ধনে এমন কর্মকান্ডে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে যার ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের আলোকে মূলহোতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে) এবং হীন স্বার্থ চরিচার্থ করার নিমিত্তে আরো ২/৪টি কুচক্রিমহল এক হয়ে সম্মিলিতভাবে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে ব্যাপক ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। ঐ সন্ত্রাসীর যেই কথা সেই কাজ অনুযাযী ষড়যন্ত্রকারীরা একের পর এক ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, টাকা আতœসাৎসহ ভয়ংকর যতসব মিথ্যা অভিযোগ প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সামনে আনতে যখন চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছিল ঠিক তখনি আল্লাহর কৃপায় থলের বিড়াল বের হয়ে যায় এবং ফাঁসকৃত সকল তথ্য-উপাত্ত ও প্রমানাধীস্বরুপ অডিও, ভিডিও রেকর্ডিং, চুক্তিকৃত আংশিক টাকা প্রদানের একটি চেক এবং কিভাবে ঘটনা ঘটাতে হবে এমন বিবরনাদি সম্বলিত ৩টি চিঠি ঘটনাক্রমে আমার হাতে আসে। আমিও ফাঁসকৃত তথ্যাবলির সত্যতা নিশ্চিতের জন্য কৌশলি হই এবং নিশ্চিত হই। ষড়যন্ত্রকারীরা টাকার বিনিময়ে ৪/৫জন বাজে নারী ও নানা প্রলোভন ও টাকার বিনিময়ে একজন হীনমন্য নামধারী প্রশিক্ষনার্থী ও অভিযোগকারী লিপি (ছদ্দ নাম) সিদ্ধান্তে অটল থাকলেও অপরজন ঘটনাক্রমে চুক্তি ভঙ্গ করে তথ্য ফাঁস করে দেয়।

এখন তথ্য ফাঁসকৃত মেয়েকে/প্রশিক্ষনার্থীকে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকিসহ ধর্ষণ ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিলেও আইনি ঝামেলা বা আতœসম্মানের ভয়ে আতংকিত মেয়েটি সুমি (ছদ্দ নাম) আইনের আশ্রয় না নিলেও আতংকগ্রস্থ হয়ে অজানা আশংকায় দিন কাটছে বলে আমাকে মোবাইলে জানায়। যাই হোক তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারনে বড় কোন দুর্ঘটনা বা অপবাদ থেকে রক্ষা পেলেও একের পর এক ব্যাপকভাবে চক্রান্তের নীল নকশা বাস্তবায়নের ফলে আমি অজানা আশংকায় আছি।

আমি পুরো ঘটনা জিএস সহিদ ভাইকে জানিয়ে সহযোগিতা চাইলে তিনি আমাকে সমস্যা সমাধানের আশ্বস্থ করেন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সর্বোচ্চ ধৈর্য্যধারনের পরামর্শ দেন। তিনি তখন রাজনৈতিক কারনে ব্যস্ত থাকায় একটু বিলম্ব হয় এরই মধ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের নির্দেশনায় নামধারী প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্নমহল ও ব্যক্তির নিকট মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অংশ হিসেবে এবং বিশেষ কারনে কুমিল্লা জেলা পরিষেদের প্যাণেল চেয়ারম্যান জিএস সহিদ ভাইয়ের নিকট গিয়ে চরম মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষনিক তাদের সামনেই আমাকে ফোন দিয়ে আমার সাথে চরম ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটান এবং আমাদের উভয়কেই ন্যায় বিচারের সর্বোচ্চ আশ্বস্থ করার পরেও (কথায় আছে চোর মানেনা ধর্মের কাহিনী) ওরা এর পরের দিনই জিএস সহিদ ভাইয়ের কথা কর্নপাত না করে নানা জায়গায় কুৎসা রটানোর মিশন অব্যাহত রাখে এবং আরো বেপরোয়া হয়ে যায়। চরম মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশসহ ফেইসবুকে ব্যাপক অপ্রচার চালাতে থাকে। এরপরও এরা নানা জায়গায় কুৎসা রটানোসহ বিভিন্ন নীল নকশা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠে। আমার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি রহস্যজনক কারনে চরম পক্ষ-পাতমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটান যাহা নিয়ম নীতির পরিপন্থী।

আমি পুরো বিষয়টি সহিদ ভাইয়ের মাধ্যমে সমাধানের আশায় চরম ধৈর্য্যশীল হয়ে শান্তভাবে সমাধানের চেষ্টা করি। যাই হোক জিএস সহিদ ভাই আমাকেসহ সবাইকে উনার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ডাকলো। এরই মধ্যে উনি বিভিন্ন ভাবে মুক্তবাংলা কার্যক্রম ও খুঁটিনাটি বিষয়ে যথাসাধ্য অবগত হয়ে ওনার দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞায় ও দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের আলাকে দীর্ঘ চুলছেড়া বিচার বিশ্লেষনে তিনি প্রতীয়মান হলেন আমি অপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার এবং নামধারী প্রশিক্ষণার্থীরা ঢাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে বা ভুল করছে। উনি মহানুভবতা বা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিকোন থেকে আমাকে বলল যেহেতু প্রতিষ্ঠানে শর্তসাপেক্ষে কোর্স ফির টাকা ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে তাই ওরা শর্তভঙ্গসহ নানা ভয়ংকর অপরাধে জড়িত থাকার পরও টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষমাশীল মহৎ সিদ্ধান্ত নিলে আমিও মেনে নেই এবং ওদেরকেও বাস্তবতার আলোকে জ্ঞানগর্বমূলক অনেক পরামর্শ দেন এবং মুক্তবাংলা সম্পর্কে অবগত হওয়া উনার স্বচ্ছ ধারনা উপস্থিত সকলের মাঝে সাবলীলভাবে তুলে ধরেন এবং ওনার দৃষ্টিতে আমারও কিছু ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেন। সকলে উনার কথায় সম্মত্তি প্রদান করে বিদায় নেয়। ক্ষমা মহৎ গুন, বিভিন্ন কারনে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে বিবেচনা করে কোর্স ফি ফেরৎ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও ওরা ঐ দিন রাতেই আবার তথ্যফাঁসকারী ঐ মেয়েকে ধর্ষনের হুমকিসহ করুচিপূর্ণ নানা ক্ষুদে বার্তা পাঠায় (যার সকল প্রমাণাধী সংরক্ষণে আছে) এবং আমাকেও আবারও হুমকি-ধমকি প্রদানসহ মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠায় (যার সকল প্রমানাদি সংরক্ষণে আছে) কোর্স ফি ফেরৎ দেওয়ার এই মহানুভব ক্ষমাশীল সিদ্ধান্তকে ভিন্নভাবে সাঁজিয়ে ফেইসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্রে আবারও অপ্রচারে লিপ্ত হয়। এখন সকলের নিকট আমার প্রশ্ন ওদের এমন কার্যকালাপ কি ষড়যন্ত্রের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ নয়? ‘ওদের চাওয়াটা আসলে কি?’

ওদের চাওয়াটা আমাকে ও আমার প্রাণপ্রিয় এই প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা!

নামধারী প্রশিক্ষণার্থী ও মূলচক্রান্তকারীরা উপরে উল্লেখিত ভয়ংকর সকল ষড়যন্ত্রের নীল নকশা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠে। অফিস ভাংচুরের হুমকিসহ নানা হুমকি ধমকি প্রদান, কুট কৌশল আর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে জেলা প্রশাসকসহ পুলিশ প্রশাসনকে আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলা, এমন ধারাবাহিক নানা কর্মকান্ডে একদিকে আমাকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য করা অন্যদিকে বন্ধকে পুঁজি করে কুৎসা রটানো, পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশসহ কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়েরকে পুঁজি করে ফেইসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্রে মুক্তবাংলার বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচারের ফলে প্রতিষ্ঠানের ও আমার ব্যাপক ইমেজ সংকট সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তিসহ সাধারন মানুষের মনে মুক্তবাংলা নিয়ে ব্যাপক ভীতির সৃষ্টি হয় এবং প্রতিষ্ঠান ও আমাকে ভুল বুঝে। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠান বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

নিচে আংশিক কিছু ক্ষতির বর্ণণা তুলে ধরা হলোঃ
১। ভর্তিকৃত প্রায় ১২০ জন প্রশিক্ষণার্থী ক্লাস না পেয়ে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হল অন্যদিকে অপপ্রচারে আতংকিত হয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। এতে উভয়ই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
২। প্রতিষ্ঠানে জড়িত ৫০-৬০জন মার্কেটিং অফিসার, কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হল। সবাই হতাশাগ্রস্থ হয়ে অন্যত্রে চলে যায়। এই সুযোগে হিসাব না দিয়ে দুই জন গুরুত্বপূর্ন কর্মকর্তা চলে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুক্ষীন হয়েছে।
৩। আউট সোর্সিং নিয়ে অব্যাহত ব্যাপক প্রচারণায় ৩লক্ষ টাকা ব্যয় করার ফলে আরো ৭০-৮০জন শিক্ষার্থী ভর্তির অপেক্ষামান নতুন প্রশিক্ষণার্থীসহ এই পর্যন্ত আরো নূন্যতম ৩০০-৪০০জন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি হতো। যাহা পুরোই এখন ক্ষতিগ্রস্থ।
৪। অফিস ভাড়া ও বিভিন্ন খরচসহ ৪০হাজার টাকা পুরোই বিফলে গেল।
৫। প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়া চরম আর্থিক সংকট হওয়ার কারনে কিছু অপেক্ষমান প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা ফেরৎ দিতে হিমছিম পোহাতে হবে। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার সাময়িক ভঙ্গ হওয়া উভয়ই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
বিভিন্নভাবে নগদ আর্থিক ক্ষতিসহ আনুমানিক ১৫-২০লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতিসহ দূরদর্শী আমাদের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পুরোপুরো ধূলিসাৎ হয়। যার পরিমান টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যাবেনা এবং প্রায় ১কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার চলমান কার্যক্রম ব্যাহতসহ অপেক্ষামান অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নও আপাতত ধূলিসাৎ হয়ে যায়।
মোট কথা প্রতিষ্ঠানের পুরো কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের কারনে। মুক্তবাংলার সাথে জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাই এখন ক্ষতিগ্রস্থ। এই ক্ষতির দায়বার কার!!!

ধন্যবাদান্তেঃ এ.টি.এম তরিকত উল্লাহ
সম্পাদক ও প্রকাশক
সাপ্তাহিক মুক্ত বাংলাদেশ